কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চুরির অভিযোগে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা। এরপর গলায় ও কোমরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাস্তায় ঘোরানো হয় তাকে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পরে স্থানীয়রা ওই যুবককে দৌলতপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
চুরির ঘটনায় পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার (৩ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
আটক যুবকের নাম সাগর হোসেন (৩০)। তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকার বাসিন্দা বিপ্লব হোসেনের ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দড়ি বাঁধা অবস্থায় ওই যুবককে একজন ব্যক্তি টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, পেছনে হাঁটছেন কয়েকজন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনদের মোবাইল ফোন, টাকা, ব্যাগসহ বিভিন্ন মালামাল চুরির অভিযোগ ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর স্বজনের ব্যাগ নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা ওই যুবককে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কোমর ও গলায় দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘুরিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দৌলতপুর থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, স্থানীয় লোকজন চুরির অভিযোগে একজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভিডিওটি আজ আমি দেখেছি, তাকে দড়িতে বেঁধে ঘুরানো হয়েছে। এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলব।
খুলনা গেজেট/এএজে

